সাকিব আল হাসান এর সাথে ঈদ উদযাপন আলামিন

  সাকিব আল হাসান এর সাথে ঈদ উদযাপন আলামিন

সাকিব আল হাসানের সাথে ঈদ উদযাপন – এক স্বপ্নপূরণের দিন

লিখেছেন: আলামিন

জীবনে কিছু মুহূর্ত থাকে, যেগুলো মনে রাখার জন্য কোনো ডায়েরি লাগে না—সেগুলো নিজেই মনে এক চিরস্থায়ী জায়গা করে নেয়। এমনই এক অবিশ্বাস্য, অমূল্য মুহূর্ত আমার জীবনে এসেছে এবারের ঈদে। আমি কখনো কল্পনাও করিনি, যে একদিন বাংলাদেশের ক্রিকেট কিংবদন্তি সাকিব আল হাসান-এর সঙ্গে একসাথে ঈদ উদযাপন করব সবকিছু শুরু হয় ঈদের দিন সকালে। ঈদের নামাজ শেষে বাসায় ফিরছিলাম, হঠাৎ করে ফোনে একটা অপরিচিত নাম্বার। কল রিসিভ করতেই চেনা সেই কণ্ঠস্বর—সাকিব ভাই! প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। তিনি সরাসরি বললেন, “ভাই, আজ ঈদের দিন, একটু ভিন্নভাবে কাটাই। আমার বাসায় চলে আসো।” আমি কিছুটা স্তব্ধ, কিছুটা উত্তেজিত, বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি

কিংবদন্তির বাসায় অতিথি বেলা বাড়তেই আমি পৌঁছে গেলাম সাকিব ভাইয়ের ঢাকার বাসায়। তাঁর আতিথেয়তা, আন্তরিকতা ও হাসিমুখে অভ্যর্থনা—সব মিলিয়ে আমি যেন একজন অতিথি নই, পরিবারের একজন সদস্য। ঈদের স্পেশাল খাবার—পোলাও, গরুর কালা ভুনা, রেজালা, আর সেমাই—সব ছিল। কিন্তু খাবারের থেকেও বড় উপহার ছিল সাকিব ভাইয়ের সঙ্গ খাবার শেষে আমরা কিছু সময় একসাথে গল্প করলাম। ক্রিকেট নিয়ে অনেক অজানা গল্প শুনলাম তাঁর মুখ থেকেয়বিশ্বকাপে প্রিয় ম্যাচ, ড্রেসিংরুমের অভিজ্ঞতা, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতি তাঁর ভাবনা। একজন সাকিব আল হাসানকে আমরা যতটা মাঠে দেখি, তার বাইরেও তিনি একজন ভীষণ নম্র, মজার, এবং খুবই আন্তরিক মানুষ একটা নতুন অনুপ্রেরণাঈদের এই দিনটা আমার কাছে শুধুই আনন্দের নয়, এটা আমার জীবনে এক নতুন অনুপ্রেরণার নাম। যাঁকে ছোটবেলা থেকে টিভিতে দেখে দেখে বড় হয়েছি, তাঁর সঙ্গে একদিন এক টেবিলে বসে খাওয়া, গল্প করা, হাসি ভাগ করে নেওয়া—এটাই তো জীবনের সৌন্দর্য

আজও চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাই সেই হাসিমুখ, শুনতে পাই সেদিনের কথা। ঈদ মানেই আনন্দ, আর এবারের ঈদ আমার জীবনে যেন এক রূপকথার গল্প। সাকিব ভাই, যদি কখনো এই লেখা আপনার চোখে পড়ে শুধু একটা কথাই বলব ধন্যবাদ 

Post a Comment

0 Comments